A Cute LOVE STORY .. ♥♥♥


A Cute LOVE STORY:
Girl: Am I pretty?
Boy: NO
Girl: Do u want 2 live wid me?
Boy: NO
Girl: Will u cry if I leave?
Boy: NO
The girl got hurt n started to cry
The boy pulled her close 2 him n said
U are not Pretty but Beautiful
I don’t want 2 live wid you but live 4 u.
If u leave me i don’t cry but DIE. ♥♥ ♥

Love Letter That U Sent To Me 50 Yrs Ago…

When U Were Only 5 Yrs Old, I Said I Love U…
U Asked Me: “What Is It?”
When U Were 15 Yrs Old, I Said I Love U….
U Blushed.. U Look Down And Smile..
When U Were 20 Yrs Old, I Said I Love U….
U Put Ur Head On My Shoulder And Hold My Hand.. Afraid That I Might Dissapear..
When U Were 25 Yrs Old, I Said I Love U….
U Prepare Breakfast And Serve It In Front Of Me, And Kiss My Forhead N
Said : “U Better Be Quick, Is’s Gonna Be Late..”
When U Were 30 Yrs Old, I Said I Love U….
U Said: “If U Really Love Me, Please Come Back Early After Work..”
When U Were 40 Yrs Old, I Said I Love U….
U Were Cleaning The Dining Table And Said: “Ok Dear, But It’s Time For U To Help Our Child With His/Her Revision..”
When U Were 50 Yrs Old, I Said I Love U….
U Were Knitting And U Laugh At Me..
When U Were 60 Yrs Old, I Said I Love U….
U Smile At Me..
When U Were 70 Yrs Old. I Said I Love U….
We Sitting On The Rocking Chair With Our Glasses On.. I’m Reading Your Love Letter That U Sent To Me 50 Yrs Ago..With Our Hand Crossing Together..
When U Were 80 Yrs Old, U Said U Love Me!
I Didn’t Say Anything But Cried……….

" একজন নিডো গার্লের গল্প "

‘ ভুতু মিয়া, ও ভুতু মিয়া, সকাল হইসে তো, ঘুম থেকে উঠবানা?’ প্রতিটা সকালে কাজল খালার ডাকে এভাবেই ঘুম ভাঙত আমার। খালা চুলে বিলি কেটে না দিলে ঘুম যেন ভাঙতে চাইত না আমার। কাজল খালা আমার আপন খালা না। আমাদের কোন দূরসম্পর্কের কোন আত্মীয় হবেন হয়তো। জ্ঞান হবার পর থেকে মা বাবাকে খুব কমই একসাথে দেখেছি। প্রেমের বিয়ের পর তাদের ভালবাসাটা টিকেনি বেশিদিন। বাবাকে সপ্তাহে একবার দেখতাম আর মা প্রডাকশন হাউস নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন। অথচ বাসায় যে একটা দুধের শিশু আছে সেটা তার খেয়ালই থাকতো না। যখনি তাদের একসাথে দেখতাম তখনি তারা নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করছে। একবার আমার প্রায় নিউমনিয়া হয়ে গিয়েছিল। শেষে কাজল খালা ডাক্তারের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। বড় হয়ে শুনেছিলাম আমাকে এই পৃথিবীতে আনার কোন ইচ্ছাই আব্বু-আম্মুর ছিল না। আমি ছিলাম তাদের অনাকাঙ্খিত সন্তান। কাজল খালা আমাকে মায়ের মতই আগলে রাখতেন। এই মহীয়সী নারী তার জীবনের সংসার, আরাম আয়েশ সব ত্যাগ করেছেন আমার মুখের দিকে তাকিয়ে।

ক্লাস ফোরে থাকতে বাবা-মার মধ্যে সেপারেশন হয়ে যায়। তখন আমাকে নিয়ে তাদের টানাটানি শুরু হল। তখন আমি যেন ভিআইপি হয়ে গেলাম। পরে সিদ্ধান্ত হল আমি বাবার কাছে থাকবো। কাজল খালা থাকাতেই মায়ের অভাবটা তেমন টের পেতাম না। কিন্তু ক্লাসমেটদের মায়েরা যখন টিফিন এনে খাওয়াতেন তখন শুধু শুন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতাম। একদিন পেন্সিল বক্স না আনাতে মিস আমাকে অনেক বকা দিলেন। আমার গার্জিয়ানের কথা জিজ্ঞেস করলেন। ক্লাসের সবার সামনে আমার কাহিনী মিসকে বললাম। পরের দিন স্কুলে গিয়ে দেখি আমার ব্যাগে একটি পেন্সিল বক্স রাখা। ভাবলাম কেউ হয়তো ভুলে রেখে গেছে। আমি এটা মিসের কাছে দিতে যাচ্ছিলাম, তখন একটা মেয়ে এসে বলল, তোমারতো পেন্সিল বক্স নেই…আমার দুটা ছিল একটা তোমাকে দিয়ে দিলাম। নাম তার মাহিয়া। আমাদের পুরো ক্লাসের সবচেয়ে চুপচাপ মেয়ে। এদিকে আমার অন্য বন্ধুরা আমাকে এড়িয়ে চলতে লাগল। আমি নাকি ব্রোকেন ফ্যামিলির ছেলে। অনেকেই আমাকে ব্রোকেন-বয় বলে খেপাত। খুব অসহায় লাগতো। মুখে কোন কিছুই বলতাম না। মাঝে মাঝে মাহিয়া প্রতিবাদ করার চেষ্টা করতো। হয়তো আমার মনের কান্নাটা বোধ হয় সে টের পেত।

ধীরে ধীরে মাহিয়ার খুব কাছের বন্ধু হয়ে গেলাম। বাসায় কাজল খালা আর স্কুলে মাহিয়া, এইদুজনের মাঝেই সীমাবদ্ধ হয়ে গেল আমার পৃথিবী। ও আমার গার্জিয়ানের মত হয়ে গেল। ও যা বলত তাই সুবোধ বালকের মত শুনতাম। মাঝে মাঝে যে ঝগড়া হতো না তা না। একবার ক্লাসটেস্টে অঙ্ক ভুল করাতে আমাকে গাধা বলল। আমি বললাম,আমিতো ছোট,আমারতো মুখ থেকে এখনো মায়ের দুধের গন্ধ যায়নি। ব্যস এর পর থেকে আমাকে ও ডানোবয় বলে ডাকা শুরু করল। আমিও ওকে নিডোগার্ল বলে ডাকতাম। আসলে ছোট বেলা থেকে কেউ আমাকে এভাবে কেয়ার করেনি, তাই হয়তো কোথাও একটু আদর পেলেই মাথা গুজে দিতাম।

ক্লাস এইটের বার্ষিক পরীক্ষার পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আমি আর মাহিয়া ‘রোমিও ও জুলিয়েট’ নাটক করলাম। নাটকের ৮ দিনের মহড়ায় আমি যেন অন্য মাহিয়াকে আবিস্কার করলাম। নির্ঘুম রাতের ভাবনায় আশ্রয় নিল সে। আর এজন্যই হয়তো মুল অনুষ্ঠানে ডায়লগ ভুলে গেলাম। মুল অনুষ্ঠানের দিন ওকে জুলিয়েটের সাজে পরীর মত লাগছিল। অনেক ভেবে দেখলাম বামুন হয়ে চাদের দিকে হাত বাড়িয়ে লাভ নেই। অযথা ওর সাথে সম্পর্কটা নষ্ট হবে। আর ও পড়াশুনার বাইরে ও কিছু ভাবত না। একটু আঁতেল টাইপ স্টুডেন্টরা যা হয় আরকি। হয়তো ভারি ফ্রেমের আড়ালে চোখগুলো আমার চোখের ভালবাসাটা পড়তে পারেনি। তাই আমার ভালবাসাটা কষ্টের পাহাড়ে চাপা দিয়ে রাখলাম। ও যে আমাকে অবহেলা করে তা নয়। এতো পড়াশুনার মাঝেও আমাকে ঘুম থেকে ডেকে দেয়া, নোট ফটোকপি করে দেয়া, পড়াশুনার খোজখবর নেয়া সবই করতো। মাঝে মাঝে আমার বাসায় আসতো। কাজল খালাকে ও অনেক পছন্দ করতো। কাজল খালাও ভাল রান্না হলে ওকে খবর দিতে ভুলতেন না।

এইচএসসি পরীক্ষার পর মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। ওর সাথে দেখা হয়না প্রায় ২ মাস। অথচ গত ৯টা বছর একসাথে পড়েছি। মাহিয়া ছাত্রী ভাল হওয়াতে একসাথে চান্স পাওয়ার সুযোগও নেই বললেই চলে। একবার ভাবলাম ভাল রেজাল্ট হলে ওকে মনের কথাটা জানাবো। ১৩ই অক্টোবর দুপুর বেলায় রেজাল্ট দিল। মাহিয়া প্রত্যাশামত এ+ পেল। আমার রেজাল্ট তখনো জানতে পারিনি। হঠাৎ ভিড় ঠেলে মাহিয়া দৌড়ে এসে আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই আমাকে জড়িয়ে ধরে জোরে চিৎকার করে বলল, ডানোবয় তুমি এ+ পেয়েছ। আশেপাশের মানুষ তখন হা করে তাকিয়ে দেখছে। মাহিয়া তা বুঝতে পেরেই লজ্জা পেয়ে দৌড়ে গাড়িতে উঠে চলে গেল। এরকমটা ঘটবে আমি স্বপ্নেও ভাবিনি। সে হয়তো নিজেও ভাবেনি। তবে ওইদিন ওর ভারী ফ্রেমের আড়ালে চোখগুলোতে ঠিকই ভালবাসাটা পড়ে নিয়েছিলাম। ওই দিন রাতে ওর অনেক জ্বর উঠল। পরের দিন খালাকে নিয়ে ওর বাসায় গিয়ে দেখলাম ও কাঁথামুড়ি দিয়ে শুয়ে আছে। আমি ওর পাশে বসাতে লজ্জা পেয়ে কাথা দিয়ে মুখ ঢাকতে চাইল। আমি তখন আমার নিডোগার্লের নিষ্পাপ মুখের দিকে তাকিয়ে আছি। আর কেউ না দেখতে পেলেও আমি তখন টের পেয়ে গেছি আমার নিডোগার্লের হাতটা কাঁথার নিচ দিয়ে আমার হাতে আশ্রয় নিয়েছে। খুব ইচ্ছা হচ্ছিল ওর রেশমি চুলগুলো কপালের যেখানে হারিয়ে গেছে সেখানে একটা চুমু খাই।

আমি জাহাঙ্গীরনগর আর ও ঢাকা ভার্সিটিতে চান্স পেল। প্রতি বৃহস্পতিবারে ওকে দেখতে ঢাকা যেতাম। সারাদিন ঘুরে সন্ধ্যায় ওকে বাসায় পৌঁছে দিতাম। ওর আব্বু-আম্মু আমাকে অনেক স্নেহ করতেন। ভার্সিটি লাইফটা মসৃণভাবেই চলছিল। আসল ঘটনা ঘটলো ফাইনাল ইয়ারে। মাহিয়া তার ভাললাগার কথা বাবাকে জানাল। ওর বাবা আমাকে ডেকে আমার ফ্যামিলি সম্বন্ধে জানতে চাইল। সত্যি কথাটা শুনার পর আমার দিকে এমন ভাবে তাকালেন যেন আরশোলা দেখছেন। আমার বাবা-মার দোষে আমিও দোষী হয়ে গেলাম। মাহিয়াকে আর ভার্সিটিতে যেতে দেয়া হল না। ওর বান্ধবীর কাছে শুনলাম ওর নাকি কাজিনের সাথে বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে।

একমাস পর ভার্সিটিতে ওর সাথে দেখা হল। চোখের নিচে কাল দাগ, দেবে যাওয়া গালে ওকে চেনা যাচ্ছিল না। ও শুধু আমাকে বলল…আমার জন্য অপেক্ষা কোরো। এটা বলেই চলে গেল…আমি ওর পথের দিকে তাকিয়ে রইলাম। কথাটার মানেটা বুঝতে পারলাম না।

ব্রোকেন ফ্যামিলির ছেলে হয়েও কখনো উশৃঙ্খল হয়ে যাইনি। ভাল থেকে কি লাভ…তার চেয়ে বরং সত্যিকারের ব্রোকেন ফ্যামিলির ছেলেই হয়ে যাই। কাজল খালা কিছুই জানতেন না। একদিন আবেগ সামলাতে না পেরে খালাকে জড়িয়ে ধরে কেদে কেদে সবকিছু খুলে বললাম। খালা বললেন , চিন্তা করিস না সব ঠিক হয়ে যাবে। সেটা যে পরের দিনই ঠিক হয়ে যাবে তা স্বপ্নেও ভাবিনি। সকালবেলা উঠে দেখি মাহিয়া আমার মাথার কাছে বসে আছে। সে একেবারে বাসা থেকে চলে এসেছে। নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। আসলে মাহিয়া আগেই সব খালাকে জানিয়েছিল, শুধু অপেক্ষা করছিল ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা কখন শেষ হয়।

৩ বছর পর ২০০৯ সালের কথা। মাহিয়া এখন শুধুই আমার। বাবা আমাদের বিয়ে মেনে নেননি। বাবার মানার পরোয়াও করিনি। ২৪বছরের জীবনে কখনো বাবার দায়িত্ব পালন করেননি। অথচ বিয়ের অনুমতি চাইতেই পুরোদস্তুর বাবা হয়ে গেলেন। তাই বাবার বাড়ি ছাড়তে একটুও কষ্ট হয়নি। মাহিয়ার ফ্যামিলিও বিয়েটা মানেনি। বিয়ের পরের ২ বছর দুজন অনেক কষ্ট করে ২ রুমের একটা সংসার চালিয়েছি। আমাদের সংসারে কোন অবলম্বনই ছিল না, শুধু দুজনের ভালবাসাটা ছাড়া। এইদিনগুলোতে মাহিয়া মুখবুঝে সব কষ্ট সহ্য করে গেছে। সারাটা দিন চাকরি আর টিউশনি করেই কেটে যেতো। সে সময় কাজল খালা সাপোর্ট না দিলে কি হতো আল্লাহই ভাল জানেন। এখন আল্লাহ আমাদের দিকে মুখ তুলে তাকিয়েছেন। মাহিয়া প্রেগন্যান্ট হবার পর থেকেই ওর বাবার রাগ কমতে শুরু করেছে। আল্লাহ আমাদের ঘর আলো করতে একটা নয়…একসাথে দুই-দুইটা অ্যাঞ্জেল দিয়েছেন। আইমা ও আয়ানের ৯ মাস চলছে। সারাটা দিন গাধার মত খাটার পর বাসায় ফিরে যখন দুই অ্যাঞ্জেলের দুইদাতের স্বর্গীয় হাসি দেখি …কিংবা ওদের মুখে সদ্যফোটা বাব্বা….বাব্বা ডেকে যখন কোলে ঝাঁপিয়ে পরে… তখন ক্লান্তিগুলো কোথায় যেন হারিয়ে যায়,…শরীরটায় খেলে যায় অমিয় সুখের শিহরণ। ডানোবয়, নিডোগার্ল, কাজল খালা আর দুই অ্যাঞ্জেল ভালই আছে…আল্লাহর অশেষ রহমতে। ভালই চলছে আমাদের টোনাটুনির সংসার। আইমা ও আয়ানের জন্য দোয়া করবেন।

***মাহিয়া কিন্তু এখনও আমাকে ডানোবয় বলেই ডাকে।আর আমি কি ডাকি সেটা আপনারা বুঝে নেন… .

-By Mahmud Hasan

হায়রে ভালবাসা!!

বর্ষাকাল, অনেক বৃষ্টি হছে, নীলক্ষেত থেকে পান্থপথ যাবো। বৃষ্টিতে প্রায় অনেকটা ভিজে গিয়েছি, মেজাজ তখন চরম বিগরে আছে; কি করব একটিও রিকশা পাচ্ছিনা।

“এই মামা; পান্থপথ যাবেন?”
অবশেষে একটি পেলাম তাও ১২০টাকা ছাড়া যেতে রাজি নয়। যেতে তো হবে, কারন ওপাশে আমার অশিন আমার জন্য অপেক্ষা করছে। তাকে আমি আজ আমার হৃদয়ের কথা বলবো, তাই অনেকটা নার্ভাস ফিল করছিলাম।

অশিন আমার অনেক ভাল বন্ধু, সে এনএসইউ তে পড়ে। সে জানে না আমি তাকে তার অজান্তে অনেক ভালবেসে ফেলেছি। ও আমার প্রতি অনেক কেয়ারিং ছিল, সব সময় আমার খেয়াল রাখতো, খোজ-খবর নিতো। আমার প্রতি তার এমন কেয়ারনেস আমাকে দুর্বল করে তাকে ভালবাসতে।

যাই হোক; অবশেষে আমি Half-an-Hour লেট করে তার সামনে হাজির হলাম। সে তো রেগে-মেগে অস্থির। একগাদা ঝারি শুনতে শুনতে শপিং কমপ্লেক্স এর ভেতরে গেলাম। ওকে থামানোর জন্য দুটি প্রস্তাব রাখলাম; “অশিন, তোমাকে আমি আজ অনেক ইম্পরট্যান্ট কথা বলবো, তার পূর্বে চলো আইসক্রিম খাই!”

ফুডকোর্টে বসে ওকে আমি আমার মনের অব্যক্ত ভালবাসার কথা জানিয়ে দিলাম। ক্ষণিকের জন্য সে নিস্তব্ধ হয়ে গেল। কিছু বুঝতে পারছিলাম না কি হবে। আমি তাকে বললাম, অশিন আমি কি অনেক বড় ভুল করে ফেলেছি তোমাকে ভালবেসে? সে কোন উত্তর দিলোনা, শুধু বললো; ফিজান আমি বাসায় যেতে চাই, তুমি কি আমাকে রেখে আসবে?

আমি বুঝতে পারলাম যে তাকে আমি আন-এক্সপেকটেড কিছু বলে ফেলেছি। আমি আর কিছু না বলে তার হাতটা ধরে হাটতে শুরু করলাম। বাহিরে এসে সিএনজি ডেকে বললাম, মামা মিরপুর যাবেন? হটাৎ সে পেছন থেকে বলে ওঠে, মিরপুর না মামা, উত্তরা যাবো; যাবেন? এই কথা বলে সে উঠে পড়লো। আমি ঠিক কিছু বুঝে উঠতে পারলাম না। তার পাশে বসে পরলাম।
একটু হেজিটেশন নিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলাম; অশিন আমরা উত্তরা কেন? ইয়ে-মানে তুমি তো মিরপুরে… সে চোখ বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে বললো; উত্তরা পুলিশ অফিসে যাবো, তুমি আমাকে এতো লেট করে প্রপোজ কেন করলে, এতো দিন বলনি কেন? এই বলে সে হাসতে লাগলো।

আমি এতটা ভয় পেয়েছিলাম যে তখনো বুঝতে পারিনি যে সে আমাকে অ্যাপ্প্রুভ করেছে, সেও আমাকে অনেক ভালবাসে যতটা আমি তাকে। ইছে করছিল তাকে জরিয়ে ধরে চিৎকার করে বলি, “আই লাভ ইউ” কিন্তু আমার নিয়তি আমাকে থামিয়ে দেয়।

এরপর থেকে শুরু হয়ে যায় আমার এক নতুন জীবন। প্রতিদিন দেখা করা, প্রতিরাতে জেগে জেগে ফোনে কথাবলা, আর প্রতি শুক্রবারে স্টার সিনেপ্লেক্সে মুভি দেখা। প্রায় ৮ মাস পার হয়ে যায়, এক সময় অশিন আমার জীবনের মুল লক্ষ্য হয়ে পড়ে, তাকে ছাড়া আমি আর যেন কিছু বুঝতাম না। ভালোই কাটছিল দিনগুলো।

২০১১, নভেম্বরের শেষের দিকে একদিন অশিন আমাকে বলে লন্ডন থেকে তার খালা-খালু ফ্যামিলিসহ আসছে, প্রায় মাসখানেক থাকবে, তাই আমার সাথে সে প্রায় সময় কন্টাক্ট করতে পারবে না। বলতে গেলে এই একমাস কন্টাক্ট নাও হতে পারে। তার পরো আমরা মাঝে মাঝে মেসেজ এর মাধ্যমে একে অপরের খোজ নিতাম।

২১-১২-২০১১, সকালে আমার সেলফোনের রিং বেজে উঠলে আমার ঘুম ভাঙ্গে। কল রিসিভ করতে ওপাশ থেকে বলে উঠে; “হ্যালো” ফিজান! আমি আফ্রিনা বলছি (আফ্রিনা; অশিনের ও আমার অনেক ভাল ফ্রেন্ড)। তুমি কি আমার সাথে দেখা করতে পারবে? অনেক বড় সমস্য হয়ে গেছে, তোমাকে জানানো অনেক জরুরি। তুমি আজ দুপুর ২টার পর ক্লাস শেষে বনানী বাজারে থেকো। আমি কিছু না বুঝে তাকে বললাম, ঠিক আছে; আমি থাকবো।
আফ্রিনার সাথে দেখা করলাম, সে বললো; তোমাকে কিছু কথা বলার আছে ফিজান। আমি সম্মতি দিলাম। আফ্রিনা বললো; “ফিজান তুমি অশিন কে অনেক ভালোবাসো তাই না? কিন্তু তুমি কি জানো, তোমাকে ছাড়া সে আরো একটি ছেলের সাথে কমিটেড!! সে তোমাকে ধোঁকা দিচ্ছে ফিজান”

আফ্রিনার এই কথা যেন আমার বুকে সুঁচের মতো বিধলো। এর আগে আফ্রিনা আর কিছু বলে আমি তাকে বললাম; ‘দেখ আফ্রিনা; তুমি অশিনের অনেক ক্লোজ ফ্রেন্ড তাই আমি তোমাকে কিছু বলছি না, ভাল হবে তুমি এই মুহূর্তে এখান থেকে চলে যাও। চলে যাওয়ার আগে সে বললো, ফিজান তোমাকে আমি একটা ই-মেইল করেছি যাতে কিছু ছবি আছে। আশা করি ওগুলি দেখে তোমার চোখ খুলবে” এই বলে সে চলে যায়।

আফ্রিনার কথা আমি ভাবলাম অশিন কে জানানো দরকার, তাই সেলফোন টা বের করে অশিন কে কল করলাম। বেশ অনেকবার ট্রাই করি কিন্তু সে কেন জানি আমার কল রিসিভ করলো না। সে দিন বাসায় ফিরে আমি ঘুমিয়ে পড়ি; রাত ১০টার সময় আম্মু ডিনার করতে ডাকলে আমার ঘুম ভাঙ্গে। সেলফোনটা হাতে নিয়ে দেখি ১টি মেসেজ, আমি ভাবলাম অশিন পাঠিয়েছে কারন সে দুপুরে আমার কল ধরতে পারেনি সে জন্য। কিন্তু ওপেন করে দেখলাম মেসেজটি আফ্রিনা পাঠিয়েছে। তাতে লেখা ছিল “সরি ফিজান, কিন্তু আমি তোমাকে যা বলেছি সব সত্যি, অশিন তোমাকে ধোঁকা দিচ্ছে। আমি এ কথা তোমাকে না বললেও পারতাম কিন্তু আমি চাইনা তুমি কষ্ট পাও, তুমি অশিন কে যতটা ভালবাসো তার থেকে অনেক বেশি আমি তোমাকে ভালবাসি। দুঃখ শুধু এই যে আমি আমার মনের কথা তোমাকে সঠিক সময় বলতে পারিনি।“ আমার মাথা যেন ঘুরে গেলো আফ্রিনার মেসেজ পড়ে। সে সময় আমার সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলছে, আগামিকাল অপারেশন ম্যানেজমেন্ট পরীক্ষা; প্রিপারেসন কিছুই নেবার মত মন-মানসিকতা ছিল না।

পরদিন;২২ ডিসেম্বর, অনেক সকালে ঘুম থেকে উঠে রেডি হয়ে ভারসিটির জন্য বের হই আমি, যাতে লাইব্রেরীতে গিয়ে প্রিপারেশন নিতেপারি। সকালে মোটামুটি ফাকা রাস্তা, তারপরও জাহাঙ্গীর গেটে ছোট্ট একটা সিগনাল পরে যায়। আমি হটাৎ বাম দিকে তাকালাম, দেখি এক ছেলে আর এক মেয়ে সিএনজিতে রোমান্স করছে, আমি খুব ইন্টারেস্ট নিয়ে দেখতে লাগলাম। এক সময় মেয়েটা সোজা হয়ে বসলো, আমি যখন মেয়েটার চেহারা দেখি; আমার সমস্ত পৃথিবী যেন আঁধারে আচ্ছন্ন হয়ে পরে। সে কি সত্যি আমার অশিন না আমি ভুল দেখছি!! কি করব কিছু বুঝতে পারছিলাম না। সিগনাল ছাড়লে তারা আমার সামনে থেকে চলে গেলো আর আমি সেখানেই বাইকে চুপচাপ বসে থাকলাম, ধিরে ধিরে সব কিছু যেন ঝাপসা হয়ে আসছিল আমার চোখে। কোন রকম পরীক্ষা দিয়ে বাসায় ফিরে আফ্রিনার পাঠানো ইমেইল চেক করি, দেখতে পাই কিছু ছবি। বিশ্বাস হছিলনা অশিন আমার সাথে এমন কাজ করতে পারে।

আফ্রিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি মেসেজ দিয়েছিলাম সে রাতে। অশিনের সাথে আর কথা হয়নি, সে অনেক বার আমাকে ফোন দিয়েছিল কিন্তু আমার নিয়তি আমাকে বাধা দিয়েছে তার সাথে কথা বলতে ও কোন প্রকার সমাধানে আসতে। অশিন কে কিছু বলতেও পারিনি, কারন মানুষ যাকে অনেক ভালবাসে তাকে কষ্ট দিতে পারেনা, কিভাবে কষ্ট দেয়া যায় তাও আমার জানা নেই।

এই ঘটনার প্রায় একমাস হতে চললো, জীবন টা যেন আমার বিমর্ষ হয়ে গেছে। শুধুমাত্র বাবা-মার মুখের দিকে তাকিয়ে বেঁচে আছি। আমাকে নিয়ে তাদের অনেক স্বপ্ন, অনেক আদরের ছেলে তো আমি তাদের এই জন্য। কিন্তু তারা তো জানে না, তাদের লক্ষ্মী ছেলে আজ কতটা কষ্টে আছে।

“আমার ভাগ্য আমার সাথে অনেক মজা নিচ্ছে ……….!!
“যে আমাকে অনেক ভালবাসে আমি তার ভালবাসার কোন মূল্যায়ন করলাম না, আর আমি যাকে অনেক ভালবাসি, নিজের জীবনের থেকেও বেসি ভালবাসি সে আমার ভালবাসাকে মূল্যায়ন করলো না।“

~~~ THE END ~~~
-By Fizaan Khan James

A Boy Liked A Girl But Wanted To Make Her Jealous.

A Boy Liked A Girl But Wanted To Make Her Jealous.

Then One Day

Things Went Terribly Wrong.

The Next Few Weeks

Were Like A Very Sad

Song.

He Made Her Jealous

On Purpose He Tried.

When The Girl Asked, “Do You Love Her?”

On Purpose He Lied.

He Played With Jealousy

Like It Was A Game.

Little Did He Know

Things Would Never Be The Same.

His Plan Was Working

But He Had No Clue.

How Wrong Things Would Go,

The Damage He Would Do.

One Night She Broke Down,

Feeling Very

Alone.

Just Her And The Blade,

No One Else Home.

She Dialed His Number,

He Answered, “Hello”

She Told Him She Loved Him

And Hung Up The Phone.

He Raced To Her

House

Just A Minute Too Late.

Found Her Lying In Blood

Her Heart

Had No Rate.

Beside Her Was A Note,

In It Her Confession.

Her Love For This Boy,

Her Only Obsession.

As He Read The Note,

He Knelt Down And Cried